মিথ্যা ধরার বৈজ্ঞানিক কৌশল – মিথ্যাবাদী চেনার উপায়

হ্যালো ফ্রেন্ডস ওয়েলকাম ব্যাক। বন্ধুরা আজকের এপিসোড আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব সাইকোলজি সাইন্সের এমন পাঁচটি ট্রিক্স যেগুলোকে ফলো করে আপনি বুঝে নিতে পারবেন আপনার সামনের মানুষ সত্যি কথা বলছে না মিথ্যে কথা বলছে।

মিথ্যা ধরার বৈজ্ঞানিক কৌশল

আজকের আর্টিকেলে পড়ার পর থেকে
আপনার কাছে যদি কেউ মিথ্যা কথা বলে তাহলে সেকেন্ডের মাথায় আপনি বুঝে নিতে পারবেন সে মিথ্যে কথা বলছে।

আজকের আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন
তো, চলুন শুরু করা যাক।

বন্ধুরা আজকের সময়ে যে কোন কিছুতে

যে খানে সেখানে মিথ্যে কথা বলা বেশিরভাগ মানুষেরই অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।

সবাই কমবেশি মিথ্যে কথা বলেই থাকে আর এমনও হয়তো মাঝেমধ্যে হয়েছে যে কেউ মিথ্যা কথা বলে

আপনাকে বোকা বানিয়ে দিয়েছে কিংবা আপনার অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে।

কিন্তু বন্ধুরা আজকের পর থেকে আপনাকে মিথ্যে কথা বলতে পারবে না আর বললেও আপনি সেকেন্ডের মাথায় বুঝে নিতে পারবেন সে মিথ্যে কথা বলছে।

চলুন এবার দেখে নেই সেই পাঁচটি ট্রিক্স কি কি?

মিথ্যাবাদী চেনার উপায়

নম্বর ওয়ান

আই কন্টাক্ট

পৃথিবীর 90 ভাগ মানুষই মিথ্যে কথা বলার সময় চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে না কারণ সে জানে যে সে মিথ্যে কথা বলছে কনশাসলি সে আপনাকে মিথ্যা কথা বলছে ঠিকই কিন্তু তার সাবকনসাস মাইন্ড যেটা জানে যে সে মিথ্যে কথা বলছে আর সেই ব্যাক্তি অপরাধবোধ ফিল করে।

মিথ্যা কথা বলার সময়ে ব্যক্তির চোখের পলক হয়তো খুব তাড়াতাড়ি ফেলবে আর হয়তো খুবই ধীরে ধীরে ফেলবে।

মিথ্যা

আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে আপনার সামনের ব্যক্তি আপনার সাথে চোখে চোখ রেখে কথা বলছে না শুধু এদিক-সেদিক আর তার চোখের পলক ফেলার গতি

খুব ধীরগতির হয়ে গেছে তাহলে আপনি ধরে নিতে পারেন যে সে আপনাকে মিথ্যে কথা বলছে।

নম্বর টু

Hands And Lags Moments

আমরা যখন মিথ্যে কথা বলি তখন আমরা প্রচন্ড আনকম্ফোর্টেবল ফিল করি আর কম্ফোর্টেবল ফিল করার জন্যে আমরা আমাদের হাত আর পা কে বিনা কারণে এদিকে-সেদিকে নেই।

যেমন মিথ্যে কথা বলার সময়

আমরা প্রায়ই আমাদের হাতকে নাড়িয়ে থাকি আমরা আমাদের পাকে এদিকে-সেদিকে নেই কম্ফোর্টেবল ফিল করার জন্যে।

নম্বর 3

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ

আমরা আমাদের স্কুল লাইফে প্রায়ই মিথ্যে কথা বলেছি আমাদের টিচাররা প্যারেন্টস কে আপনি সেই মুহূর্তটাকে একবার মনে করার চেষ্টা করুন আপনি মনে করে দেখুন আমরা মিথ্যে কথা বলার সময় তখন মনে মনে এটাই ভাবতাম যে যদি আমি ধরা

পড়ে যাই আমি যে মিথ্যে কথা বলছি সেটা যদি সে জানতে পারে তখন কি হবে এইটা বের চিন্তাভাবনা আমাদের মনে আসত আর আমাদের কনফিডেন্স এর মাত্রা তখন একদম লো হয়ে যেত।

আমাদের মহাবিশ্ব কত বড় (full & brilliant details)

বন্ধুরা মিথ্যা কথা বলার সময় তেমনি আমাদের বডিল্যাঙ্গুয়েজ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় যেমন আমাদের বডি কনফিডেন্টলি এক জায়গায় স্থির

থাকতে চায় না আমাদের অজান্তেই আমরা হাত দিয়ে মাথার চুল ঠিক করার চেষ্টা করি।

দুই হাত এক জায়গায় এনে মাঝেমধ্যে চুলকোতে শুরু করি।

মিথ্যা ধরার কৌশল
মিথ্যা বলার সময় মাথায়, চুলে হাত দিবে বারবার।

বিনা কারণে আপনি যদি কখনো দেখেন আপনার সামনের ব্যক্তিও এরকম করছে

তাহলে আপনি বুঝে নিতে পারেন যে সে হয়তো মিথ্যে কথা বলছে

নম্বর 4

Speaking Style

অর্থাৎ কথা বলার ধরণ।

কথা বলার ধরণ দেখে আমরা বুঝে নিতে পারি যে সে মিথ্যে কথা বলছে।
যখন কেউ মিথ্যা কথা বলে তখন হঠাৎ করেই
সে জোরে জোরে আর খুব তাড়াতাড়ি কথা বলতে শুরু করে।

মিথ্যা ধরার বৈজ্ঞানিক কৌশল

এরকম সেজন্যই করে কারণ সে জানে সে মিথ্যে কথা বলছে আর তার মিথ্যে কথাকে সত্য করতেই সে মরিয়া হয়ে ওঠে।

নম্বর 5

কভার স্টোরি

অর্থাৎ বানানো গল্প আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যখন আমরা লেট করে বাড়িতে আসতাম আর বাবা-মা জিজ্ঞেস করত এতক্ষণ কোথায় ছিলাম তখন আমরা এ রকমই বানানো গল্প বলে দিতাম আর বেশি বেশি করে এক্সপ্লেনেশন দিয়ে বলতাম কারণ আমরা চাইতাম না যে আমাদের মিথ্যা তারা জানোক।

যারা মিথ্যা বলতে খুব দক্ষ তাদের হয়তো এত সহজ বিষয় গুলো দিয়ে ধরা সম্ভব নয়।

কিন্তু অনেককেই ধরতে পারবেন এসব বিষয় খেয়াল রাখলে যে কে মিথ্যে কথা বলছে।

এবারে যখন দেখবেন যে আপনাকে কেউ অতিরিক্ত ভাবে কথা বলে এক্সপ্লেন করছে তখন ধরে নিতে পারেন যে সে হয়তো মিথ্যে কথা বলছে।

আশাকরি আপনাদের নতুন কিছু জানাতে পারলাম আপনার কোন প্রশ্ন

থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *